পোস্টগুলি

ফলের খাবার নিয়ম

ছবি
ফলের রস খাওয়ার চেয়ে গোটা ফল খাওয়া অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। গোটা ফল খেলে ফাইবার, ভিটামিন, মিনারেলস, এনজাইম পর্যাপ্ত পরিমাণে শরীরে প্রবেশ করতে পারে। রস করে খাওয়ার চেয়ে গোটা ফল খেলে তাড়াতা়ড়ি হজম হয়। বাজারচলতি ফলের রসে নানারকম উপাদান মেশানো থাকে। যেগুলি ইউরিক অ্যাসিডের মতো কিছু সমস্যার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। ভরা পেটে ফল খাওয়ার ধারণা কিন্তু একেবারেই ঠিক নয়। ভরপেট খাবার খাওয়ার পরে ফল খেলে সমস্যা বাড়বে বই কমবে না। খাবার এবং ফল পর পর একসঙ্গে পেটে গেলে শরীর বেশি পরিমাণে অ্যাসিড উৎপাদন করবে। তাতে খাবার এবং ফলে থাকা স্বাস্থ্যকর উপাদানগুলি অ্যাসিডের সঙ্গে বিক্রিয়ায় নষ্ট হয়ে যাবে। তাতে আদতে কোনও লাভ হবে না। ফলে শর্করার পরিমাণ বেশি। ডায়াবিটিস থাকলে ফল খেতে ভয় পান অনেকেই। পুষ্টিবিদরা এর একটি সহজ সমাধান দিয়েছেন। তাঁদের পরামর্শ, ফল খেলেই যে ডায়াবিটিসের মাত্রা বাড়বেই, তার কোনও মানে নেই। ফল খাওয়ার আগে যদি কয়েকটি বাদাম খেয়ে নেন। তা হলে সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

আপনার ব্যক্তিগত বৃদ্ধির যাত্রাকে সমর্থন করার জন্য ১০ ধারণা ।

🟢গুরুত্বপূর্ণ দিক ✅ মানুষের পরিবর্তন, বৃদ্ধি এবং মানিয়ে নেওয়ার ইচ্ছা এবং ক্ষমতা রয়েছে। ✅ আমাদের কী করা উচিত এবং কী করা উচিত সে সম্পর্কে অনেক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পাওয়া গেলে, কোথা থেকে শুরু করব তা জানা কঠিন হতে পারে।  ✅একটি ব্যক্তিগত বৃদ্ধি যাত্রা নেভিগেট ভেতরের দিকে তাকানো শুরু হয় আমরা ক্রমাগত বার্তা দিয়ে বোমাবর্ষণ করি যে আমাদের আরও ভাল, দ্রুত, স্বাস্থ্যকর, বুদ্ধিমান, ধনী, শক্তিশালী, ব্যস্ত হতে হবেঃসবকিছু "র"।  আমরা যে কোনো মুহূর্তে উন্নতি করতে, আরও কিছু করতে এবং আরও বেশি হতে চাওয়ার একটা ধ্রুবক অবস্থায় খুঁজে পাই।  আমাদের মানুষের অবস্থা পরিবর্তন এবং বৃদ্ধি কামনা করে।  কিন্তু আত্ম-উন্নতি খোঁজার অর্থ এই নয় যে আপনি ইতিমধ্যেই যে ব্যক্তির সাথে অসন্তুষ্ট;  এটা ছাড়া জীবন স্থবির বোধ করতে পারে।  আমরা শিখতে এবং পরিবর্তন না হলে আমরা অসন্তুষ্ট, অসুখী এবং এমনকি অতৃপ্ত বোধ করতে শুরু করতে পারি।  ক্রমাগত বিকশিত হয় এমন একটি বিশ্বে কাজ করতে সক্ষম হওয়ার জন্য, আমাদের বাড়াতে এবং মানিয়ে নিতে সক্ষম হতে হবে। আমরা কোথায় থেকে  শুরু করব?  আমাদের অভ্যাস এবং...

সকালে খালি পেটে উপকারী পানীয়

ছবি
 কথাতেই আছে খালি পেটে জল, আর ভরা পেটে ফল! সেই সূত্র ধরে খালিপেটে জল খেলে একাধিক উপকারিতা পাওয়া যায়। রোজ সকালে ঘুম ভেঙে উঠে খালি পেটে হাফ লিটার জল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মলদ্বারের নানান অসুখ ঠিক হয়ে যায়। এছাড়াও অ্যাসিডিটির সমস্যা কমে যায়। ১)লেবুর জল- এক চামচ শিয়া বীজ অর্ধেকের কম গ্লাস জলে আগের রাতে ভিজিয়ে নিন। একটি লেবুর রস কচলে তা দিয়ে দিন জলে। এভাবে ১৫০ মিলিলিটার জলে মিশ্রণটি সকালে মিশিয়ে খেয়ে নিন। এতে শরীরে জলের পরিমাণ বেশি থাকে।  ২)দই: এক কাপ দইয়ের ঘোলে সামান্য আদা কেটে ফেলে দিন। সঙ্গে কাঁচা হলুদ। সেটিকে গুলে নিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। সকালে উঠে এটিই প্রথম খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বহু আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ। এতে গরমে পেটের সমস্যা হয় না।  ৩)শসার রস- শসা একটু কেটে নিয়ে তাতে সৈন্ধব লবণ দিয়ে নিন। সামান্য এক চামচ আমচুর দিন। এরপর গোটাটার পেস্ট বানিয়ে নিন। সকালে ঘুম থেকে উঠে এই ড্রিঙ্ক খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে শরীর তাজা থাকবে, শরীরে জলের কমতি থাকবে না শরীরে।  ( 

ডায়াবেটিস রোগীরা যেসকল ফল খেতে পারেন

ছবি
ডায়াবিটিস থাকায় অনেকেই ফল খেতে চান না। কারণ ফলে রয়েছে প্রাকৃতিক শর্করা। যা ডায়াবিটিসের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে সব ফল কিন্তু একই রকম নয়। কিছু ফল রয়েছে, যেগুলি ডায়াবিটিসের রোগীরা অনায়াসে খেতে পারেন। ১) পেয়ারা মাঝারি মাপের একটি পেয়ারায় থাকে ৫ গ্রাম চিনি আর ৩ গ্রাম ফাইবার। বেশি পরিমা‌ণ ফাইবার পাওয়ার জন্য খোসা-সহ পেয়ারা খাওয়া জরুরি। শেক বা স্মুদিতে ব্যবহার করা যায় পেয়ারা। শুধুও খাওয়া যায়। ২)পাকা পেঁপে একটি বড় টুকরো পেঁপেতে ৬ গ্রাম চিনি থাকে। যেখানে এক টুকরো তরমুজে থাকে ১৭ গ্রাম চিনি। একটি পাকা আমে আবার চিনির পরিমাণ হল ৪৫ গ্রাম। ফলে নিশ্চিন্তেই পাকা পেঁপে খেয়ে ফেলা যায়। তবে রাতে না খেয়ে দুপুরে কিংবা সকালে খেতে পারেন। চাইলে ফলের উপরে ছড়িয়ে নিতে পারেন একটু বিটনুন আর লেবুর রসও। ৩)অ্যাভোকাডো একটি অ্যাভোকাডোতে থাকে ১.৩৩ গ্রাম চিনি। ডায়াবিটিসের রোগীরা চাইলে খেতে পারেন এই ফল। কারণ এতে শর্করার মাত্রা অতি কম। ফলে অ্যাভোকাডো খেলে কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। সৌজন্যেঃআনন্দবাজার পত্রিকা 

লেখা নিয়ম

ছবি
এলমোর লিওনার্ডের লেখার ১০টি নিয়ম।   এখানে রূপরেখা আকারে সেই নিয়মগুলি রয়েছে: ১) আবহাওয়ার সাথে বই খুলবেন না।  ২) প্রস্তাবনা ( prologues) এড়িয়ে চলুন।  ৩)কথোপকথন চালানোর জন্য "বলা" ছাড়া অন্য কোনো ক্রিয়া ব্যবহার করবেন না।  ৪)"বলা" ক্রিয়াপদটি সংশোধন করতে কখনই একটি ক্রিয়াবিশেষণ ব্যবহার করবেন না।  ৫)আপনার বিস্ময়বোধক পয়েন্ট নিয়ন্ত্রণে রাখুন!  ৬)"হঠাৎ" বা "অল হেল ব্রেক লুজ" শব্দগুলো কখনই ব্যবহার করবেন না। ৭) আঞ্চলিক উপভাষা, প্যাটোইস, অল্প পরিমাণে ব্যবহার করুন।  ৮)অক্ষরের বিস্তারিত বর্ণনা এড়িয়ে চলুন।  ৯)স্থান এবং জিনিসের জন্য একই.  ১০)পাঠকদের এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা অংশগুলি ছেড়ে দিন।  

মশা তাড়ানোর গাছ

ছবি
৫)গাঁদা সারা বছর ফুল দেয় এই গাছ। এই ফুলে রয়েছে এমন এক ধরনের গন্ধ, যা মশাদের বিকর্ষণ করে। ঘরে প্রবেশ করার মুখে ছোট টবে রাখতে পারেন এই গাছ। কেবল মশাই নয়, এই গাছ থাকলে পিঁপড়ে, মাছি বা গাছের পাতা খেয়ে নেয় এই ধরনের কোনও পোকাও এসে বসে না। সৌজন্যঃ আনন্দবাজারপত্রিকা। 

মশা তাড়ানোর গাছ

ছবি
৪)পুদিনা ) পুদিনার ভেষজ গুণ প্রচুর। পুদিনাপাতার গন্ধে মশা, মাছি দূরে থাকে। শুধু তা-ই নয়, অন্যান্য পোকামাকড়ও এই গাছের আশপাশে ঘোরাফেরা করে না। সূর্যের আলো পড়ে, এমন জায়গায় এই গাছ রাখুন।