পোস্টগুলি

রেসিপি লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

রেসিপিঃপুদিনা লস্যি

  পুদিনা  লস্যি ১)দই: ৫০০ গ্রাম ২)শুকনো পুদিনা পাতা: ১ টেবিল চামচ ৩)জিরে গুঁড়ো: আধ চা চামচ ৪)সৈন্ধব লবণ: স্বাদ অনুযায়ী এই চারটি উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ডারে দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। কাচের গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করুন। চাইলে এক টুকরো বরফও দিতে পারেন

পুদিনার চাটনি

ছবি
  পুদিনা পাতা ওজন কমাতেও সাহায্য করে। রোগা হতে চাইছেন যাঁরা, রোজ যদি পুদিনা পাতা দিয়ে তৈরি পানীয় খেতে পারেন সত্যিই উপকার মিলবে। পুদিনার রয়েছে বহুগুণ। ওজন ঝরানোর পাশাপাশি পেটের স্বাস্থ্য ভাল রাখতেও পুদিনা দারুণ উপকারী। পুদিনাতে থাকা ‘মিন্ট’ হজমে সাহায্য করে এমন কিছু উৎসেচকগুলির ক্ষরণ বাড়িয়ে তোলে। গলা, বুকে জ্বালা ভাব কমায়। এ ছাড়া, পুদিনা পাতায় রয়েছে জ়ানথাইন অক্সাইড। এই যৌগটি অন্ত্রের স্বাস্থ্যরক্ষায় সহায়তা করে। অন্ত্রের কার্য ক্ষমতা ঠিক থাকলে, তার প্রভাব পড়ে বিপাক হারের উপরেও। ফলে বিপাকক্রিয়ার উপর নির্ভর করে, ডায়াবিটিসের মতো এমন বহু রোগ ঠেকিয়ে রাখতে পারে পুদিনা। অনেকেই পুদিনার তৈরি পানীয় খান। বেশি উপকার পেতে পুদিনা পাতা দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন চাটনি। কী ভাবে বানাবেন? রইল প্রণালী। উপকরণ: পুদিনা পাতা: ১/৪ কাপ তেঁতুল: সামান্য আদা: সামান্য নুন: স্বাদমতো হিং: ১/৪ চা চামচ প্রণালী: সব উপকরণ একটি ব্লেন্ডারে ভাল করে মিশিয়ে নিন। মেশানোর সময়ে প্রয়োজনে সামান্য জল দিন। মিশ্রণ ঘন হয়ে গেলে পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করুন। সূত্রঃআনন্দবাজারপত্রিকা

বিরিয়ানির খাবার পর ওজন হ্রাস

ছবি
  বিরিয়ানি খেলেও বাড়বে না ওজন। খাওয়ার পরে কয়েকটি কাজ করলেই সব ঠিক থাকবে।   এক প্লেট বিরিয়ানিতে গড়ে ৫০০ থেকে ৮০০ ক্যালোরি থাকে। এটুকু শরীর থেকে ঝরিয়ে ফেললেই চিন্তা নেই আর। খাওয়ার পর তাই হেঁটে নিন। দেড় কিমি হাঁটলেই মোটামুটি ১০০ ক্যালোরি ঝরে যায়। হাঁটার গতি বেশি হলে আরেকটু বেশি ঝরে। পরদিন সকালে লেবু জল। হালকা গরম জলে লেবু চিপে নিয়ে ঢকঢক করে খেয়ে ফেলুন। শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বার করে দেয় এই পানীয়। একই সঙ্গে ওজন কমাতে সাহায্য করে।  এরপর সকাল সকাল ব্যায়াম করতে হবে। ২০ থেকে ২৫ মিনিট ব্যায়াম করলেই যথেষ্ট। একটু কঠিন ব্যায়াম করলে ঝরবে আরও বেশি। বিশেষজ্ঞদের কথায়, জগিং করলে আরও বেশি ক্যালোরি ঝরে যায়। অর্থাৎ, ক্যালোরি ঝরাতে পারলেই যথেষ্ট! খাওয়াদাওয়ার পরে ঝিমিয়ে পড়লে হবে না। চাঙ্গা থেকে শারীরিক কাজকর্মের মধ্যে থাকতে হবে। তাহলেই গত্তি লাগবে না শরীরে।